i love allah & his messenger.
Saturday, 23 March 2013
Friday, 22 March 2013
বন্ধুরা খেয়াল করুন এই হাদীসটাকে
হজরত শিবলী(র.) বলেতেন-আমি চার হাজার হাদীস পরেছি চার শত উস্তাদ এর খেদমতে থেকে । কিন্তু তার মধ্যে আমি একটা হাদীস কে আমি আমলের জন্য ঠিক করেছি কারন সেটা আমার মুক্তি ও নাজাতের জন্য যথেষ্ট এবং আম্বিয়ায়ে কেরামের ইলম তার মধ্যে শামিল ।হাদীসটা
হল-
"দুনিয়ার জন্য ঐ পরিমাণ আমল করো যে পরিমাণ তুমি তথায় আবস্থান করবে । আর আখিরাতের জন্য ঐ পরিমাণ আমল করো যে পরিমাণ তোমাকে সেখানে থাকতে হবে। যে পরিমাণ তুমি আল্লাহর নিকট মুখাপেক্ষী সেই পরিমাণ তুমি তার জন্যে আমল করো । আর জাহান্নামের জন্যে আমল করো যে পরিমাণ তুমি তার সাজা ভোগে ধৈরয ধারনের ক্ষমতা রাখো ।।"
বেহেশতের প্রবেশ পথ-ইমাম গাজ্জালি(রহঃ)
হল-
"দুনিয়ার জন্য ঐ পরিমাণ আমল করো যে পরিমাণ তুমি তথায় আবস্থান করবে । আর আখিরাতের জন্য ঐ পরিমাণ আমল করো যে পরিমাণ তোমাকে সেখানে থাকতে হবে। যে পরিমাণ তুমি আল্লাহর নিকট মুখাপেক্ষী সেই পরিমাণ তুমি তার জন্যে আমল করো । আর জাহান্নামের জন্যে আমল করো যে পরিমাণ তুমি তার সাজা ভোগে ধৈরয ধারনের ক্ষমতা রাখো ।।"
বেহেশতের প্রবেশ পথ-ইমাম গাজ্জালি(রহঃ)
Thursday, 21 March 2013
সূরা আল-বাকারা
যারা আল্লাহ্ পাকের কিতাব না বুঝেএবং সত্যি ব্যাপার না জেনে তারা তাদের পূর্ব পুরুষ রা যা করেছে তাই করে, সেটা সত্য না হলেও !
তাদের জন্য মহান আল্লাহ পাক বলেন ,
্
তাদের জন্য মহান আল্লাহ পাক বলেন ,
্
وَإِذَا قِيلَ لَهُمُ اتَّبِعُوا مَا أَنزَلَ اللَّهُ
قَالُوا بَلْ نَتَّبِعُ مَا أَلْفَيْنَا عَلَيْهِ آبَاءَنَا ۗ أَوَلَوْ كَانَ آبَاؤُهُمْ لَا
يَعْقِلُونَ شَيْئًا وَلَا يَهْتَدُونَ [٢:١٧٠]
আর যখন তাদেরকে কেউ বলে যে, সে হুকুমেরই আনুগত্য
কর যা আল্লাহ তা’আলা নাযিল করেছেন,
তখন তারা বলে কখনো না, আমরা তো সে বিষয়েরই
অনুসরণ করব। যাতে আমরা আমাদের বাপ-
দাদাদেরকে দেখেছি। যদি ও তাদের বাপ দাদারা কিছুই
জানতো না, জানতো না সরল পথও।
-sura al-Baqara170
তাই আমাদের উচিত সবকিছু কুরআন ও হাদীস এর আলোকে বিচার করা !
আমাদের আরও উচিত যাহা না জানা তাহা কুরআন ও হাদীস থেকে জেনে নাওয়া ,না পারলে জ্ঞানীদের
কাছে থেকে জেনে নেওয়া যারা হাদীস ও কুরআন ভাল বুঝেন !
Tuesday, 19 March 2013
হারাম থেকে বিরত হও
যে পর্যন্ত তুমি হারাম হতে বিরত না হবে , সে পর্যন্ত নামাজ পড়তে পড়তে পিঠ বাঁকা করে ফেললেও এবং ক্রন্দন করতে করতে চোখে ঘা হয়ে গেলেও কোন ফায়দা হবে না--------------ইমাম গাযযালি (রহঃ) -সিরাতুল মুস্তাকিম
Monday, 18 March 2013
Sura Asr
Sura: Al-Asr
بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ
وَالْعَصْرِ [١٠٣:١
কসম যুগের (সময়ের),
|
|
إِنَّ الْإِنسَانَ لَفِي خُسْرٍ [١٠٣:٢]
নিশ্চয় মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত;
|
|
إِلَّا الَّذِينَ آمَنُوا وَعَمِلُوا الصَّالِحَاتِ
وَتَوَاصَوْا بِالْحَقِّ وَتَوَاصَوْا بِالصَّبْرِ [١٠٣:٣]
কিন্তু তারা নয়, যারা বিশ্বাস স্থাপন করে ও
সৎকর্ম করে এবং পরস্পরকে তাকীদ করে সত্যের এবং তাকীদ করে সবরের।
|
|
Saturday, 16 March 2013
অমুসলিমদের প্রতি মুসলিমদের আচরণ কেমন হওয়া উচিত?
মূল লেখক : শায়েখ আব্দুল ‘আযীয্ ইবনু বাজ (রঃ) | ভাষান্তর ও সম্পাদনা : 'আব্দ আল-আহাদ
প্রকাশনায় : কুরআনের আলো ওয়েবসাইট
প্রশ্ন : একজন অমুসলিম কোনো মুসলিম দেশে প্রবাসী যিম্মি (মুসলিম শাসনে বসবাসকারী অমুসলিম) হিসেবে বসবাস করতে পারে। আবার একজন মুসলিম কোনো অমুসলিম দেশে প্রবাসী হিসেবেও বসবাস করতে পারে। পরিস্থিতি দুটোর যা-ই হোক না কেন, একজন অমুসলিমের প্রতি একজন মুসলিমের কী ধরণের আচরণ করা উচিত? অমুসলিমদের সম্ভাষণ জানানো থেকে শুরু করে তাদের বিভিন্ন উৎসব-অনুষ্ঠান পালন করা সহ, তাদের সাথে মসুলিমদের চালচলন কেমন হওয়া উচিত, সে ব্যাপারে আমি একটা সচ্ছ ধারণা পেতে চাই। শুধু কর্মক্ষেত্রে কোনো অমুসলিমকে কি বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করার অনুমতি আছে? দয়া করে জানাবেন।
উত্তর : প্রশংসা একমাত্র আল্লাহ্র জন্য। অমুসলিমদের প্রতি মুসলিমদের কর্তব্যের মধ্যে অনেকগুলো বিষয় অন্তর্ভুক্ত।
প্রথমত :
একজন অমুসলিমের প্রতি একজন মুসলিমের প্রথম কর্তব্য হলো, তাকে আল্লাহ্র দ্বীন, ইসলামের দা‘ওয়াত দিতে হবে। ইসলামের দা‘ওয়াত দেওয়ার পাশাপাশি যতদূর সম্ভব, জ্ঞান নিজের বিশুদ্ধ অনুযায়ী বাস্তবিক অর্থে ইসলাম কী, সে ব্যাপারে অমুসলিম ব্যক্তিকে বুঝাতে হবে। কারণ অন্যান্য মুসলিমদের পাশাপাশি কোনো ইহুদী, খ্রিস্টান কিংবা মুশরিকের প্রতি একজন মুসলিমের সর্বোচ্চ পরিমাণ অনুগ্রহ দেখানো উপায় হলো, তাদেরকে আল্লাহ্র দ্বীনের দা‘ওয়াত দেওয়া। নবী (সা) বলেছেন :
“যে ব্যাক্তি অন্যদেরকে কল্যাণের দিকে আহ্বান করবে, সে ‘আমলকারীর সমপরিমান সওয়াব পাবে।” [সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ১৮৯৩]
‘আলীকে (রা) খায়বারে প্রেরণের সময় রাসূল (সা) নির্দেশ দিয়েছিলেন যে, তিনি যেন ইহুদীদেরকে ইসলামের দা‘ওয়াত দেন। রাসূল (সা) বলেছিলেন :
“আল্লাহ্র কসম! আল্লাহ্ যদি তোমার মাধ্যমে একজন মাত্র ব্যক্তিকে হিদায়াত দান করেন, তাহলে তোমার জন্য তা হবে লাল উট (সেরা প্রজাতির উট) থাকার চেয়েও অধিক উত্তম।”
তিনি (সা) আরও বলেছিলেন :
“যে ব্যক্তি অন্যদেরকে সঠিক পথের দিকে আহ্বান করে, সে তাদের সমপরিমান সওয়াব লাভ করবে, যারা সে পথের অনুসরণ করবে। অথচ তাদের কারও সওয়াব থেকে বিন্দুমাত্র কম করা হবে না।”[সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৪৮৩২]
কাজেই, আন্তরিকতার সাথে একজন অমুসলিমকে ইসলামের দা‘ওয়াত দেওয়া এবং তার কাছে ইসলামের বাণী পৌঁছে দেওয়া আল্লাহ্র নৈকট্য লাভের অন্যতম শ্রেষ্ঠ উপায়।
দ্বিতীয়ত :
কোনো মুসলিম শারীরিক, আর্থিক কিংবা সম্মান-মর্যাদার দিক থেকে অমুসলিম ব্যাক্তির প্রতি কোনোরূপ অন্যায় করতে পারবে না। অমুসলিম ব্যক্তি যদি যিম্মি (মুসলিম শাসনাধীনে বসবাসকারী), মুস্তা’মান (মুসলিম অধ্যুষিত এলাকায় নিরাপত্তাপ্রাপ্ত) কিংবা মু‘আহিদ (যার দেশের সাথে মুসলিমদের শান্তিচুক্তিতে আবন্ধ) হয়, তাহলে তাকে তার প্রাপ্য অধিকার দিতে হবে এবং চুরি, বিশ্বাসঘাতকতা বা প্রতারণার মাধ্যমে তার ধনসম্পদের ক্ষয়ক্ষতি করা যাবে না। তাকে হত্যা করা যাবে না এবং আঘাত করে শারীরিকভাবে কষ্ট দেওয়া যাবে না। কারণ সে মু‘আহিদ, যিম্মি কিংবা মুস্তা’মান হওয়ায় ইসলামী শারী‘আহ্ কর্তৃক তার নিরাপত্তা সুরক্ষিত।
তৃতীয়ত :
এমন কোনো কারণ নেই যার ফলে আমরা অমুসলিম সাথে ব্যবসা-বাণিজ্য, তাদের কাছে জিনিসপত্র ভাড়া দেওয়া বা তাদের কাছ থেকে ভাড়া নেওয়া ইত্যাদি কাজগুলো করতে পারবো না। সহীহ হাদীসের বর্ণনা অনুযায়ী, আল্লাহ্র রাসূল (সা) কাফের এবং মুশরিকদের থেকে জিনিসপত্র কিনেছেন। আর তাদের থেকে জিনিসপত্র কেনা মূলত তাদের সাথে সম্পর্ক রাখা। তাঁর (সা) মৃত্যুর সময়েও তাঁর একটি বর্ম একজন ইহুদীর কাছে বন্ধক ছিল। ইহুদীর কাছে একসময় বর্মটি বন্ধক রেখে রাসূল (সা) তাঁর পরিবারের জন্য খাবার কিনেছিলেন।
চতুর্থত :
অমুসলিমদেরকে প্রথমে সম্ভাষণ জানানো মুসলিম ব্যক্তির উচিত নয়। নবী (সা) বলেছেন,
“ইহুদী কিংবা খ্রিস্টানদের প্রথমে তোমরা সালাম জানাবে না।” [সহীহ মুসলিম, সালাম অধ্যায়, হাদীস নং ২১৬৭]
তিনি (সা) আরও বলেছেন,
“যদি আহলে কিতাবদের কেউ সালামের (আস্সালামু ‘আলাইকুম) মাধ্যমে তোমাদের অভিবাদন জানায়, তাহলে বোলো, ‘ওয়া ‘আলাইকুম।’” [আল-বুখারি, হাদীস নং ৫৯০১; মুসলিম, হাদীস নং ২১৬৫]
অতএব, নিজে থেকে প্রথমেই কোনো কাফিরকে সালাম জানানো মুসলিমের উচিত নয়। তবে কোন কাফের, ইহুদী বা খ্রিস্টান যদি কোনো মুসলিমকে সালাম জানায়, তাহলে রাসূলের (সা) নির্দেশ অনুযায়ী, “ওয়া ‘আলাইকুম” বলে উত্তর দিতে হবে।
ভালো প্রতিবেশী হওয়া মুসলিমদের উপর অমুসলিমদের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অধিকার। কাজেই কোনো অমুসলিম আপনার প্রতিবেশী হলে তার প্রতি সদয় হউন। তাকে কোনোভাবে হয়রানি করবেন না। অসচ্ছল হলে তাকে সাহায্য করুন। উপহার দিয়ে, সুপরামর্শ দিয়ে তাকে সহায়তা করুন। এতে করে সে ইসলামের সৌন্দর্যে আকৃষ্ট হবে এবং মুসলমান হওয়ার জন্য আগ্রহী হয়ে উঠবে। অধিকিন্তু, প্রতিবেশী হিসেবে আপনার উপর তার অধিকার রয়েছে। রাসূল (সা) বলেছেন,
“জিব্রীল (আ) প্রতিবেশীর প্রতি সদয় হওয়ার জন্য আমাকে এতটাই তাগিদ দিতে থাকলেন যে, আমি ভাবলাম, তিনি হয়তো প্রতিবেশীকে আমার উত্তরাধিকারী বানিয়ে ফেলবেন।” [আল-বুখারি ও মুসলিম]
প্রতিবেশী কাফির হলেও প্রতিবেশী হিসেবে তার অধিকার রয়েছে। প্রতিবেশী যদি কাফির হওয়ার পাশাপাশি আত্মীয়ও হয়, তাহলে তার অধিকার দ্বিগুন: প্রতিবেশী হিসেবে এবং আত্মীয় হিসেবে।
প্রতিবেশী দরিদ্র হলে তাকে যাকাত না দিয়ে আর্থিকভাবে সাহায্য করুন। কারণ প্রতিবেশী হিসেবে এই সাহায্য পাওয়ার অধিকার তার আছে। এই সম্পর্কে আল্লাহ্ বলেন (অর্থের ব্যাখ্যা),
“দ্বীনের ব্যাপারে যারা তোমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেনি এবং তোমাদেরকে স্বদেশ হতে বহিষ্কার করেনি, তাদের প্রতি সদ্ব্যবহার ও ন্যায় বিচার করতে আল্লাহ্ তোমাদেরকে নিষেধ করেন না। আল্লাহ্ তো ন্যায়-পরায়ণদেরকে ভালোবাসেন।” [সূরা মুমতাহিনাহ্, আয়াত-৮]
আস্মা বিন্তে আবি বাক্র (রা) থেকে বর্ণিত একটি বিশুদ্ধ বর্ণনানুযায়ী, মক্কার মুশরিক এবং রাসূলের (সা) মধ্যে যুদ্ধবিরতি চলাকালীন তার মা — যে তখনও মুশরিকা ছিল — তার সাথে দেখা করে সাহায্য চাইলো। মায়ের সাথে তার সম্পর্কের বন্ধনকে বহাল রাখবে কি না, সে বিষয়ে আস্মা রাসূলের (সা) কাছে অনুমতি চাইলেন। উত্তরে রাসূল (সা) বলেছিলেন,
“তার সাথে রক্তের বন্ধনকে বহাল রাখো।”
অমুসলিমদের উৎসব-অনুষ্ঠান উদ্যাপনের ক্ষেত্রে বিধান হলো, কোনো মুসলিম সেগুলোতে অংশগ্রহণ করতে পারবে না। তবে তাদের কোনো প্রিয়জন মারা গেলে, সমবেদনা জ্ঞাপন করাতে দোষের কিছু নেই। যেমন: ‘আল্লাহ্ আপনার ক্ষতিপূরণ করুন’ বা এই জাতীয় সহানুভূতিপূর্ণ কথা বলা যেতে পারে। তবে মৃত ব্যক্তি কাফির হলে “আল্লাহ্ তাকেক্ষমা করে দিন” বা ‘আল্লাহ্ তার উপর দয়া করুন’ ইত্যাদি বলা যাবে না এবং মৃতের জন্য কোনো দো‘আও করা যাবে না। কিন্তু মৃত ব্যক্তির জীবিত আত্মীয়স্বজনদের ক্ষতিপূরণের জন্য এবং তাদের হিদায়াতের জন্য দো‘আ করা যাবে।
ফাতাওয়া নূর ‘আলা আদ্-দার্ব, ১/২৮৯-২৯১
তাওহীদ এর ডাক
মহান আল্লাহ্ পাক বলেন,
إِنَّكَ لَا تُسْمِعُ الْمَوْتَىٰ وَلَا تُسْمِعُ
الصُّمَّ الدُّعَاءَ إِذَا وَلَّوْا مُدْبِرِينَ [٢٧:٨٠]
হে নবি আপনি আহবান শোনাতে পারবেন না মৃতদেরকে এবং
বধিরকেও নয়, যখন তারা পৃষ্ঠ প্রদর্শন করে চলে যায়।
-সূরা আন-নামল ৮০
মানুষ এর প্রতি মহান আল্লাহ্ পাকের সর্বশেষ আহ্বান
وَاتَّقُوا يَوْمًا تُرْجَعُونَ فِيهِ إِلَى اللَّهِ ۖ ثُمَّ تُوَفَّىٰ كُلُّ نَفْسٍ مَّا كَسَبَتْ وَهُمْ لَا يُظْلَمُونَ [٢:٢٨١]
"তোমরা ভয় কর সেই দিনকে,যেদিন তোমরা সকলে ফিরে যাবে আল্লাহ্র কাছে ।অতঃপর প্রত্যেকে পাবে তার স্ব স্ব কর্মফল এবং তাদের প্রতি কোন রূপ অবিচার করা হবে না।"
-বাকারাঽ ২৮১
His friend became an atheist then he died. Can he offer the
funeral prayer for him and say du’aa’ for him?
A friend of mine who died a few days ago was
born to a muslim family and raised as a muslim but the last few years he has
been a non-muslim, i.e. claiming himself to be an atheist and not believing in
our religion at all. We have had verbal fights about this as well. I was
wondering if it's ok to pray for him and go to his funeral since his family is
having an islamic funeral. Please let me know as soon as possible. Thank you
for your advice in advance.
Praise be to Allaah.
If the matter is as you describe, and your friend became an
atheist and did not believe in Islam, and he died in that state, as appears to
be the case, then it is not permissible for the one who knew his situation to
offer the funeral prayer for him or to say du’aa’ for him, or to wash him or
shroud him or bury him in the Muslim graveyard, because Allaah says
(interpretation of the meaning):
“It is not (proper) for the Prophet and those who believe to
ask Allaah’s forgiveness for the Mushrikoon, even though they be of kin, after
it has become clear to them that they are the dwellers of the Fire (because
they died in a state of disbelief)”
[al-Tawbah 9:113]
“And never (O Muhammad صلى
الله عليه وسلم) pray (funeral prayer) for any of them
(hypocrites) who dies, nor stand at his grave. Certainly they disbelieved in
Allaah and His Messenger, and died while they were Faasiqoon (rebellious, —
disobedient to Allaah and His Messenger صلى
الله عليه وسلم)”
[al-Tawbah 9:84].
Muslim (976) narrated that Abu Hurayrah said: The messenger
of Allaah (blessings and peace of Allaah be upon him) said: “I asked my Lord
for permission to pray for forgiveness for my mother but He did not give me
permission. And I asked Him for permission to visit her grave and He gave me
permission.”
This is evidence that it is not permissible to say du’aa’
for one who died in a state of shirk or kufr.
And Allaah knows best.
যিনা-ব্যভিচারকারী পুরুষ অথবা নারী কি তাওবার পর বিবাহ করতে পারে?
আমি একজন মুসলিম নারী। আমি তিন বছর পূর্বে ইসলাম গ্রহণ করি। আমি এখনো শিখছি। আমার একটি প্রশ্ন আছে: আমি জেনেছি যে মুসলমান হওয়ার পর যদি অবৈধভাবে যৌনগমন করা হয় তাহলে ইসলামি পদ্ধতিতে বিবাহ করা যাবে না। কথাটা সঠিক কিনা জানতে চাই। যদি সঠিক হয় তাহলে যা অতীতে করেছি- এবং যার উপর আমি লজ্জিত- তা শুদ্ধ করার উপায় কী?
উত্তর-
আলহামদুলিল্লাহ
যিনা-ব্যভিচারকারীর জন্য তাওবা করা অত্যাবশ্যক। কেননা ব্যভিচার মহাপাপসমূহের একটি। ইসলামি শরিয়ত এসব বিষয় হারাম করেছে। আর যে এসব করবে তার জন্য রয়েছে ভয়ংকর শাস্তির ওয়াদা। ইরশাদ হয়েছে: {আর যারা আল্লাহর সাথে অন্য ইলাহকে ডাকে না এবং যারা আল্লাহ যে নাফসকে হত্যা করা নিষেধ করেছেন যথার্থ কারণ ছাড়া তাকে হত্যা করে না। আর যারা ব্যভিচার করে না। আর যে তা করবে সে আযাবপ্রাপ্ত হবে। কিয়ামতের দিন তার আযাব বর্ধিত করা হবে এবং সেখানে সে অপমানিত অবস্থায় স্থায়ী হবে। { সূরা আল ফুরকান: ৬৮-৬৯}
ইসলামি শরিয়া ব্যভিচারের ইহকালীন শাস্তিও নির্ধারণ করেছে। ইরশাদ হয়েছে:{ব্যভিচারিণী ও ব্যভিচারী তাদের প্রত্যককে একশটি করে বেত্রাঘাত কর। আর যদি তোমরা আল্লাহ ও শেষ দিবসের প্রতি ঈমান এনে থাক তবে আল্লাহর দীনের ব্যাপারে তাদের প্রতি দয়া যেন তোমাদেরকে পেয়ে না বসে। আর মুমিনদের একটি দল যেন তাদের শাস্তি প্রত্যক্ষ করে।[ সূরা আন-নূর: ২]
হাদিসে এসেছে: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: ( তোমরা আমার কাছ থেকে নাও, তোমরা আমার কাছ থেকে নাও। আল্লাহ তাদের ব্যাপারে পথের দিশা দিয়েছেন। অবিবাহিত পুরুষ-নারী ব্যভিচার করলে একশত বেত্রাঘাত ও একবছরের জন্য দেশান্তরিত করণ। আর বিবাহিত নারী-পুরুষ ব্যভিচার করলে একশত বেত্রাঘাত ও পাথর নিক্ষেপ।) [মুসলিম: আলহুদুদ/৩১৯৯]
আল্লাহ তাআলা মুমিনদের উপর ব্যভিচারকারী নারী পুরুষকে বিবাহ করা হারাম করে দিয়েছেন। ইরশাদ হয়েছে: {ব্যভিচারী কেবল ব্যভিচারিণী অথবা মুশরিক নারীকে ছাড়া বিয়ে করবে না এবং ব্যভিচারিণীকে কেবল ব্যভিচারী অথবা মুশরিক ছাড়া বিয়ে করবে না। আর মুমিনদের উপর এটা হারাম করা হয়েছে।} সূরা আন-নূর: ৩}
যদি ব্যভিচারকারী সত্যিকার অর্থে দৃঢ়চিত্তে তাওবা করে, তাহলে আল্লাহ তাআলা তার তাওবা কবুল করেন এবং তাকে ক্ষমা করে দেন। ব্যভিচারকারীর পরকালীন শাস্তির ওয়াদার কথা উল্লেখের পর আল্লাহ তাআলা বলেন: ( তবে যে তাওবা করে ঈমান আনে এবং সৎকর্ম করে। পরিণামে আল্লাহ তাদের পাপগুলোকে পুণ্য দ্বারা পরিবর্তন করে দেবেন। আল্লাহ অতীব ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু। আর যে তাওবা করে এবং সৎকাজ করে তবে নিশ্চয় সে পরিপূর্ণভাবে আল্লাহর দিকে প্রত্যাবর্তন করে।
যদি সত্যিকার তাওবা অর্জিত হয় তবে এই পাপ থেকে সরে আসার পর তাদের সাথে বিবাহ করা বৈধ রয়েছে।
শায়খ মুহাম্মাদ ইবনে ইব্রাহীম রা. কে ব্যভিচারিণী নারীর সাথে বিবাহ সম্পর্কে প্রশ্ন করা হয়েছিল। উত্তরে তিনি বলেছিলেন: তাওবা না করা পর্যন্ত ব্যভিচারিণীর সাথে বিবাহ বৈধ নয়। যদি কোনো পুরুষ তাকে বিয়ে করতে চায় তাহলে বিবাহের পূর্বে
একটি ঋতুস্রাব অতিক্রম হতে দেবে। পেটে বাচ্ছা আছে বলে প্রমাণিত হলে প্রসবের আগ পর্যন্ত বিবাহ বৈধ হবে না।
(দেখুন: আল ফাতায়াল জামেয়া লিল মারআতিল মুসলিমা:২/৫৮৪)
- উত্তর দিয়েছেন
শামুনাজ্জিদ শায়খ মুহাম্মাদ সালেহ আল
Subscribe to:
Posts (Atom)